Shikkha News | শিক্ষা নিউজShikkha News | শিক্ষা নিউজ
  • মূলপাতা
  • শিক্ষা তথ্য
    • এসএসসি
    • এইচএসসি
    • ডিগ্রি তথ্য
    • অনার্স তথ্য
    • মাস্টার্স তথ্য
    • মাদ্রাসা শিক্ষা তথ্য
  • ভর্তি ও আবেদন
    • অনার্স ভর্তি
    • ডিগ্রি ভর্তি
    • মাস্টার্স ভর্তি
    • মেডিকেল
  • বই ও সাজেশন
    • এসএসসি সাজেশন
    • বাংলা রচনা
    • অনুচ্ছেদ
    • ভাবসম্প্রসারণ
    • ব্যাবহারিক বই
    • অন্যান্য বই
  • শিক্ষা রেজাল্ট
  • এমপিও নোটিশ
  • উপবৃত্তি
  • স্কলারশিপ
  • সাধারণ জ্ঞান
Reading: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট শিখুন খুব সহজে।
Share
Font ResizerAa
Font ResizerAa
Shikkha News | শিক্ষা নিউজShikkha News | শিক্ষা নিউজ
  • মূলপাতা
  • শিক্ষা তথ্য
  • ভর্তি ও আবেদন
  • বই ও সাজেশন
  • শিক্ষা রেজাল্ট
  • এমপিও নোটিশ
  • উপবৃত্তি
  • স্কলারশিপ
  • সাধারণ জ্ঞান
  • মূলপাতা
  • শিক্ষা তথ্য
    • এসএসসি
    • এইচএসসি
    • ডিগ্রি তথ্য
    • অনার্স তথ্য
    • মাস্টার্স তথ্য
    • মাদ্রাসা শিক্ষা তথ্য
  • ভর্তি ও আবেদন
    • অনার্স ভর্তি
    • ডিগ্রি ভর্তি
    • মাস্টার্স ভর্তি
    • মেডিকেল
  • বই ও সাজেশন
    • এসএসসি সাজেশন
    • বাংলা রচনা
    • অনুচ্ছেদ
    • ভাবসম্প্রসারণ
    • ব্যাবহারিক বই
    • অন্যান্য বই
  • শিক্ষা রেজাল্ট
  • এমপিও নোটিশ
  • উপবৃত্তি
  • স্কলারশিপ
  • সাধারণ জ্ঞান
Follow US
  • Advertise
Copyright © 2025 Shikkhanews.com | All rights reserved.
বাংলা রচনা

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট শিখুন খুব সহজে।

Sonjoy Roy
Last updated: May 22, 2026 10:10 AM
By Sonjoy Roy 9 Min Read
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের, ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের, ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়। এই দিনটি আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি বিশেষ দিন। ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ছাত্ররা আন্দোলন করেছিল এবং তাদের অনেকেই জীবন দিয়েছিল। তাদের এই আত্মত্যাগের ফলেই আমরা আজ স্বাধীনভাবে আমাদের মাতৃভাষায় কথা বলতে পারি। এই দিনে আমরা ভাষা শহীদদের স্মরণ করি এবং ভাষার গুরুত্ব নিয়ে সচেতন হই। মাতৃভাষা আমাদের পরিচয়ের অংশ এবং এটি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ভাষার সংরক্ষণ ও উন্নয়নের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই দিনটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও পালিত হয়। আমাদের দেশে সরকারিভাবে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়। স্কুল, কলেজ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন এই দিনটির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করে এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মাতৃভাষা আমাদের আত্মবিশ্বাস এবং আত্মমর্যাদার প্রতীক। এই দিনে আমরা শুধু নিজের ভাষাকেই নয়, অন্যান্য ভাষার প্রতিও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করি। এভাবে আন্তর্জাতিক বন্ধন তৈরির চেষ্টা করা হয়।

লেখাটির সূচিপত্র

Toggle
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট শিখুন
  • ভূমিকা
  • মাতৃভাষা দিবসের পটভূমি
  • ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ
  • বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা
  • ইউনেস্কোর ঐতিহাসিক ঘোষণা
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম উদযাপন
  • একুশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
  • ভাষার সংরক্ষণে গুরুত্ব
  • আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য
  • একুশে ফেব্রুয়ারির শিক্ষা
  • উপসংহার

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০ পয়েন্ট শিখুন

আমাদের সকলের উচিত নিজের মাতৃভাষাকে ভালোবাসা এবং তা রক্ষা করা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদেরকে এই বার্তাই দেয় যে, ভাষা শুধু কথা বলার মাধ্যম নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি, ইতিহাস এবং অস্তিত্বের অংশ। তাই আমরা সবাই যেন আমাদের মাতৃভাষার উন্নয়নে অবদান রাখি, এই লক্ষ্য নিয়েই এই দিবসটি পালন করা হয়।

ভূমিকা

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রদ্ধার দিন। এই দিনে আমরা আমাদের মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গকারী ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করি। একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস আমাদের জাতীয় চেতনায় গভীরভাবে জড়িত, কারণ এই দিনটি বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় আমরা জানতাম না যে এই দিনটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা বিশ্বের মানুষের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হয়ে উঠবে। আজ একুশে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়, যা বাংলা ভাষার গৌরবকে আরও বৃদ্ধি করেছে।

মাতৃভাষা দিবসের পটভূমি

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল: পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের অধিকাংশ মানুষের মাতৃভাষা ছিল বাংলা। তারা বাংলাকে তাদের জাতীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দাবি করেছিল। বাংলা ভাষা তাদের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় পরিচয়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। ১৯৪৮ সালে কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন। এরপর থেকেই বাংলাভাষী জনগণের মধ্যে ভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলন জোরালো হয়ে ওঠে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলা ভাষার দাবি মানতে অস্বীকার করে এবং উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায়। এর ফলে, বাংলাভাষী জনগণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য ঢাকায় ছাত্র-জনতা ব্যাপক আন্দোলন শুরু করে। ছাত্ররা রাস্তায় নেমে তাদের দাবি জানালে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আন্দোলন দমন করতে গুলি চালায়। এই গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও অনেক ভাষাপ্রেমী তরুণ শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগের ফলেই বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, যদিও এটি পুরোপুরি কার্যকর হতে আরও কয়েক বছর সময় লাগে। এই আন্দোলন শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা বিশ্বে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করে। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে স্বীকৃত।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য একটি গৌরবময় দিন। এই দিনটি মাতৃভাষার জন্য সংগ্রামের ইতিহাস বহন করে। তবে, একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সহজ কাজ ছিল না। এই উদ্যোগের পেছনে দুজন প্রবাসী বাঙালি, রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালামের অবদান অপরিসীম। তাদের প্রচেষ্টায় ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনে রফিক, সালাম, বরকতসহ অনেক তরুণ জীবন দিয়েছিলেন। তাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। যদিও আন্দোলন সফল হয়, তবুও একুশে ফেব্রুয়ারির স্মৃতি বাঙালি জাতির হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। ১৯৯৮ সালে রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালাম নামের দুই প্রবাসী বাঙালি, যারা তখন বিদেশে বসবাস করছিলেন, তারা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ শুরু করেন। তারা জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনানকে একটি চিঠি লেখেন, যেখানে তারা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এই চিঠি তাদের প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা

রফিকুল ইসলাম এবং আব্দুস সালামের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারও এগিয়ে আসে। সরকার ইউনেস্কোর কাছে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব উত্থাপন করে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একুশে ফেব্রুয়ারির গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং বিশ্বজুড়ে ভাষা আন্দোলনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রস্তাব রাখা হয়। বাংলাদেশ সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ফলে, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

ইউনেস্কোর ঐতিহাসিক ঘোষণা

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ইউনেস্কো তাদের সাধারণ পরিষদের ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এই ঘোষণা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের প্রতিটি ভাষাভাষী জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন ছিল। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করা হয়। ইউনেস্কোর এই ঘোষণা বিশ্বব্যাপী ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব এবং মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে ভাষার বৈচিত্র্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার বার্তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম উদযাপন

২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিনটি উদযাপিত হয়। এই দিবসটি বিশ্বজুড়ে মাতৃভাষার মর্যাদা বৃদ্ধি এবং ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্যে পালন করা হয়। বাংলাদেশে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই দিনটি বিশেষভাবে উদযাপন করা হয়। শিক্ষার্থীরা তাদের মাতৃভাষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করে এবং ভাষার মর্যাদা রক্ষার শপথ নেয়।

একুশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর, একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু বাঙালির জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের প্রতিটি ভাষাভাষী জাতির জন্য একটি গর্বের দিন হয়ে উঠেছে। এটি বিশ্বের প্রতিটি জাতিকে তাদের মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য অনুপ্রাণিত করে। আজ একুশে ফেব্রুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা ভাষা আন্দোলনের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় এবং মাতৃভাষার গুরুত্বকে তুলে ধরে। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মাতৃভাষা রক্ষা করা এবং সম্মানিত করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।

ভাষার সংরক্ষণে গুরুত্ব

বিশ্বজুড়ে অনেক ভাষা হারিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে মাতৃভাষা সংরক্ষণের জন্য সচেতন করা হয়। এই দিনটি ভাষার বৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রতিটি ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য

ভাষা একটি জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মাতৃভাষা আমাদের প্রথম ভাষা, যা আমাদের চিন্তাভাবনা ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে বৈশ্বিক পর্যায়ে উদযাপনের মাধ্যমে ভাষাগত বৈচিত্র্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে। মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা প্রতিটি মানুষের জন্য অপরিহার্য।

একুশে ফেব্রুয়ারির শিক্ষা

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের শুধু ভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা দেয় না, বরং এটি একটি জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার বার্তাও বহন করে। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মাতৃভাষা শুধু একটি ভাষা নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় এবং অস্তিত্বের প্রতীক।

উপসংহার

একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির গৌরবের দিন। এই দিনটি বিশ্ববাসীকে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উদ্বুদ্ধ করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা শিখেছি যে, মাতৃভাষা শুধু একটি ভাষা নয়, এটি একটি জাতির আত্মপরিচয় ও গর্বের প্রতীক। আজ সারা বিশ্ব একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন করে ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মাতৃভাষা রক্ষা করা এবং সম্মানিত করা প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।

TAGGED: ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা 1000 শব্দের
Share This Article
Facebook Twitter Whatsapp Whatsapp Copy Link
What do you think?
Love1
Joy0
Sad0
Cry0
Angry0
Happy0
Sleepy0
By Sonjoy Roy Shikkha News CEO
Follow:
নমস্কার ফ্রেন্ডস, আমি সঞ্জয় রায়। আমি একজন ছাত্র এবং শিক্ষা তথ্য সম্পর্কিত কনটেন্ট রাইটার (লেখক)। এই ওয়েবসাইটের (Shikkha News) এর মাধ্যমে আমি আপনাদের শিক্ষা সম্পর্কিত সকল সঠিক তথ্য আপডেট দিয়ে থাকি। শিক্ষা নিউজ পেতে চান তবে আপনাদে অনুরোধ করব অবশ্যই আপনারা আমাদের ওয়েবসাইট আবারও ভিজিট করবেন। Mymensingh, Bangladesh.
Previous Article আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা Class 5 - গাইড লাইন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা Class 5 – গাইড লাইন।
Next Article আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা, ২১ শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা class 4, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা class 6, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ৩য় শ্রেণী, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ২০০ শব্দের – সহায়ক।

ক্যাটাগরি

  • Uncategorized1
  • অনার্স তথ্য16
  • অনার্স ভর্তি9
  • অনুচ্ছেদ8
  • অন্যান্য বই10
  • উপবৃত্তি19
  • এইচএসসি10
  • এমপিও নোটিশ15
  • এসএসসি24
  • এসএসসি সাজেশন2
  • ডিগ্রি তথ্য8
  • ডিগ্রি ভর্তি1
  • বই ও সাজেশন4
  • বাংলা রচনা20
  • ব্যাবহারিক বই1
  • ভর্তি ও আবেদন23
  • ভাবসম্প্রসারণ7
  • মাদ্রাসা শিক্ষা তথ্য10
  • মাস্টার্স তথ্য5
  • মাস্টার্স ভর্তি7
  • মেডিকেল3
  • শিক্ষা তথ্য50
  • শিক্ষা রেজাল্ট3
  • সাধারণ জ্ঞান73
  • স্কলারশিপ19

গুরুত্বপূর্ণ পাতাগুলো

  • About Us
  • Contact
  • Privacy Policy
  • RSS Feed

মেইন মেনু

  • উপবৃত্তি
  • ভর্তি ও আবেদন
  • শিক্ষা তথ্য
  • স্কলারশিপ
DMCA.com Protection Status

You Might Also Like

আমাদের বিদ্যালয় রচনা ক্লাস ৩ – একদম সহজ।

আমাদের বিদ্যালয় রচনা চতুর্থ শ্রেণি – সহজ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা 20 পয়েন্ট – সহজে শিখুন।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রচনা Class 9 – খুব সহজ ভাষায়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রচনা ৫০০ শব্দের – সহায়ক।

আমাদের ঠিকানা

Mymensingh, Bangladesh, Post Code: 2200
[email protected]
Copyright © 2025 Shikkhanews.com | All rights reserved.
Shikkha News (শিক্ষা নিউজ) logo Shikkha News (শিক্ষা নিউজ) logo Dark
Welcome Back!

Sign in to your account

Lost your password?